প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ মার্চ। এই পর্বে মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন, পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ৪১৪টি, কক্ষের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৫৭টি। পরীক্ষা হবে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। এক ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষায় নিজ নিজ জেলা থেকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।
গকাল বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (৩টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত) ২১টি জেলার লিখিত পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গতকাল এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
মহাপরিচালক রেজওয়ান হায়াত বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। আবেদনের দাওয়াত প্রার্থীদের মোবাইল নম্বরে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের খুদে বার্তা পাঠানো হবে। আগামী ২৩ মাস থেকে প্রার্থীরা admit.dpe.gov.bd-ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পাসওয়ার্ড এবং ইউজার নেম ব্যবহার করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
প্রথম পর্বের (বরিশাল, সিলেট, রংপুর বিভাগ) লিখিত পরীক্ষা গত বছর ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ২০ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। মৌখিক পরীক্ষা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথমপর্বের চুড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের (রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ বিভাগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি বা ঘড়িজাতীয় বস্তু, ইলেকট্রনিক হাতঘড়ি বা যেকোনো ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কমিউনিকেটিভ ডিভাইস, জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) ব্যতীত কোনোপ্রকার ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড অথবা অন্যকোনো কার্ড বা এজাতীয় বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করা বা সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তবে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।