দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন বদলি কার্যক্রম চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে। এর জন্য নির্দিষ্ট সফটওয়্যার হালনাগাদসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষের পথে।
গতকাল শুক্রবার (8মার্চ ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। যা ওই বছরের ৩০ জুন পরীক্ষামূলক (পাইলটিং) উদ্বোধন হয়। এতদিন তা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে থাকায় রয়েছে বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
বদলি-প্রত্যাশী শিক্ষকরা প্রথমে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করবেন। সেটি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাঠাবেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। সেখান থেকে তা উপজেলা কর্মকর্তা যাচাই করে পাঠাবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিইও) কাছে। ডিপিইও সেটি মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে সেটে আবার পাঠিয়ে দেবেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। এরপর উপজেলা কর্মকর্তা বদলির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করবেন। বদলিপ্রত্যাশীরা অনলাইনের মাধ্যমেই সেটি জানতে পারবেন। এ জন্য তিন ধাপের কর্মকর্তা ৩ দিন করে সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না করলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যাচাইয়ের জন্য নিয়োজিত পরবর্তী ব্যক্তির কাছে চলে যাবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, এতে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৭ জন শিক্ষার্থী এবং ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৯৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।