শিরোনাম
  • প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় গ্রুপের ফল প্রকাশ, জানা যাবে যেভাবে বুয়েটের সব পরীক্ষা স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ এর ফরম পূরণের সময় আগামী ৫ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফল আজ সনদ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্ত্রী গ্রেপ্তার তীব্র গরমে মাধ্যমিক স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ চলমান তাপদাহে প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৭ দিন বন্ধ ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি আবেদন: মানতে হবে যেসব শর্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও ৭ দিন বন্ধের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল আগামী সপ্তাহের শুরুতে
    • ইউজিসি
    • যে কারণে ইউজিসির বাজেট বরাদ্দে বৈষম্যের শিকার জবি

    যে কারণে ইউজিসির বাজেট বরাদ্দে বৈষম্যের শিকার জবি

    দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেট বরাদ্দসহ অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ও প্রয়োজন অনুসারে বাজেট বরাদ্দ দেয় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। 

    ইউজিসির বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষকরা। তাদের অভিযোগ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বেশি হওয়া সত্ত্বেও অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় কম বরাদ্দ পাচ্ছে জবি। ৪৯তম বার্ষিক প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।   

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী ক্রমানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) রয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী সংখ্যা অনুয়ায়ী জবির স্থান চতুর্থ ও শিক্ষকদের সংখ্যা (৬৭১) অনুসারে ষষ্ঠ। জবির চেয়ে অধিকসংখ্যক শিক্ষক আছেন ঢাবি, চবি, রাবি, জাবি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট)। 

    প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জবির চেয়ে কম শিক্ষক আছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), শাবি ও খুবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু মোট বাজেট ও খাত ভিত্তিতে বরাদ্দ হিসাব করলে জবি অনেক ক্ষেত্রেই পেছনের সারিতে। বাজেট বরাদ্দ অনুসারে জবির অবস্থান দশম। এই বরাদ্দ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর তুলনায় খুবই কম। 

    জবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরই জবির অবস্থান। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। পরিধি ও মান বেড়েছে। আবাসন সুবিধা নেই, হলগুলো বেদখল। এই অবস্থায় সার্বিকভাবে শিক্ষার মান বাড়াতে বাজেটও বাড়াতে হবে। 

    প্রতিবেদনে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন বাজেট বরাদ্দ বিবরণীতে দেখা যায়, মোট বাজেটে জাবিকে দেওয়া হয়েছে ২৬৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা, সেখানে জবিকে মাত্র ১৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। একইভাবে জবির তুলনায় কম শিক্ষার্থী রয়েছে শাবির। মাত্র ৮ হাজার ১১৫ জন শিক্ষার্থী ও ৫৬৬ জন শিক্ষক থাকলেও শাবি বাজেট বরাদ্দে এগিয়ে আছে। এই তুলনায় জবির ৯ হাজার শিক্ষার্থী এবং ১০০ জন শিক্ষক বেশি থাকা সত্ত্বেও ১৩ কোটি টাকা কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমনকি মাত্র ৬ হাজার ৬৭৪ শিক্ষার্থী ও ৫২৩ শিক্ষক থাকলেও খুবি বরাদ্দ পেয়েছে ১১২ কোটি টাকা। 

    জবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী বলেন, বরাদ্দের সিংহভাগ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনে চলে যায়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা ও গবেষণায় অর্থ সংকট প্রকট। 
    ইউজিসির অর্থ পরিচালক রেজাউল করিম হাওলাদার বলেন, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত হিসাব করা হয় না। নিট বাজেট ও খরচের উপযোগিতা, তাদের পাঠানো তথ্যের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

    ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামান বলেন, জবিকে কম বরাদ্দ দেওয়া হয় বিষয়টা এমন না। আবাসিক হল না থাকার কারণে বাজেটের পরিমাণ কমে যায়।