শিরোনাম
  • প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় গ্রুপের ফল প্রকাশ, জানা যাবে যেভাবে বুয়েটের সব পরীক্ষা স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ এর ফরম পূরণের সময় আগামী ৫ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফল আজ সনদ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্ত্রী গ্রেপ্তার তীব্র গরমে মাধ্যমিক স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ চলমান তাপদাহে প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৭ দিন বন্ধ ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি আবেদন: মানতে হবে যেসব শর্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও ৭ দিন বন্ধের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল আগামী সপ্তাহের শুরুতে
    • সংগঠন খবর
    • নতুন কারিকুলাম সংস্কার ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    নতুন কারিকুলাম সংস্কার ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    নতুন কারিকুলাম সংস্কার ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন অভিভাবক সমাজ, বাংলাদেশ।  আজ (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সংগঠনটির আহ্বায়ক রাখাল রাহা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির আহমেদসহ শতাধিক অভিভাবক মানববন্ধনে যোগ দেন। এসময় নতুন কারিকুলাম বন্ধের দাবি জানিয়ে রাখাল রাহা বলেন নতুন কারিকুলাম শিক্ষানীতি ২০১০ এর সাথে সাংঘর্ষিক। এই কারিকুলাম বাতিল করতে হবে। 

    • অভিভাবকদের মানববন্ধন দেখুন : ভিডিও -01
    • অভিভাবকদের মানববন্ধন দেখুন : ভিডিও-02
    • অভিভাবকদের মানববন্ধন দেখুন : ভিডিও-03

    নতুন কারিকুলাম বাতিল, নম্বরভিত্তিক মূল্যায়ন  ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালু এবং দলগত কাজে ডিভাইস নিরুৎসাহিত করাসহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শতাধিক অভিভাবক । 

    সমাবেশে অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষার্থীদের দলগত কাজে ডিভাইস অনুৎসাহিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের অধ্যায়নমুখী করতে হবে। যে ইন্ডিকেটর দিয়ে বাচ্চাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে, সেটি তো প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রযোজ্য। যারা পড়তে জানে না, সংখ্যা চেনে না... তাদের এসব ইন্ডিকেটর শেখাতে হয়। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের এসব শিখিয়ে তাদের প্রতিবন্ধী করা হচ্ছে।

    সম্মিলিত শিক্ষা আন্দোলনের দাবিগুলো হলো-

    • ১. ‘শিক্ষানীতি বিরোধী’ নতুন কারিকুলাম সম্পূর্ণ বাতিল করতে হবে।
    • ২. নম্বরভিত্তিক দুটি সাময়িক লিখিত পরীক্ষা (৬০ নম্বর) চালু রাখতে হবে এবং ধারাবাহিক মূল্যায়ন হিসেবে ৪০ নম্বর রাখতে হবে।
    • ৩. নবম শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীর আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচনের সুযোগ অথবা বিজ্ঞান বিভাগ রাখতে হবে।
    • ৪. ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি নির্দেশক বা ইন্ডিকেটর বাতিল করে নম্বর ও গ্রেডভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি রাখতে হবে।
    • ৫. সবসময় সব শিখন, প্রোজেক্ট ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক ক্লাসের ব্যয় সরকারকে বহন করতে হবে এবং স্কুল পিরিয়ডেই সব প্রোজেক্ট সম্পন্ন হতে হবে।
    • ৬. শিক্ষার্থীদের দলগত ও প্রোজেক্টের কাজে ডিভাইসমুখী হতে অনুৎসাহিত করতে হবে এবং তাত্ত্বিক বিষয়ে অধ্যয়নমুখী করতে হবে।
    • ৭. প্রতিবছর প্রতি ক্লাসে নিবন্ধন ও সনদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে, প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা চালু রাখতে হবে এবং এসএসসি ও এইচএসসি দুটি পাবলিক পরীক্ষা বহাল রাখতে হবে।
    • ৮. সবসময় সব শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের আগে অবশ্যই তা মন্ত্রিপরিষদ ও সংসদে উত্থাপন করতে হবে।